১.    সংগঠন পরিচিতি

১.১.   পরিচিতিঃ আশা বিশ্বের শীর্ষ আত্মনির্ভার ও স্ব-অর্থায়িত ক্ষুদ্রঋণ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান।

১.২.   প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট-এর সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্তঃ

      নাম  : মোঃ সফিকুল হক চৌধুরী, প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট, আশা।

      জন্ম  : জানুয়ারি ১, ১৯৪৯ সালে (হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামে)।

      শিক্ষা : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ সালে সমাজ বিজ্ঞানে বিএ (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন।

            ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৯ সালে সমাজ বিজ্ঞানে এমএ ডিগ্রি অর্জন।

 

কর্মজীবন    :

      প্রাক্তন সদস্য, বিসিএস (প্রশাসন), ১৯৭৭ সাল।

      আশার  প্রতিষ্ঠাকাল  ১৯৭৮  সাল  থেকে  অদ্যাবধি  প্রধান  নির্বাহী/ম্যানেজিং  ডিরেক্টর/প্রেসিডেন্ট-এর  দায়িত্ব

      পালন।

      সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, ক্যাটালিস্ট মাইক্রোফিন্যান্স ইনভেস্টরস (CMI).

      সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, আশা ইন্টারন্যাশনাল

 

অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক সংশ্লিষ্টতা :

      মাননীয় উপদেষ্টা, কৃষি মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০০৬-২০০৭),

      তত্ত্বাবধায়ক সরকার, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।

      সভাপতি, বোর্ড অব ট্রাস্টি, আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।

      CGAP/WB policy Advisory Group-এর প্রাক্তন সদস্য।

১.৩.    কালানুক্রমিক বিকাশ/বিবর্তন (আশার মাইলফলকসমূহ):

১৯৭৮    : এসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল এডভান্সমেন্ট (ASA)  নামে ১৯৭৮ সালে মার্চে মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয়

               থানার টেপরা গ্রামে কার্যক্রম শুরু।

 

             শোষিত/শ্রমজীবি মানুষকে সংঘবদ্ধ করে তাদের অধিকার আদায়ের জন্যে বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলন (Social

            Action) কর্মসূচি বাস্তবায়ন করাই ছিল মূল লক্ষ্য।

১৯৮০    :  সচেতনতামূলক শিক্ষা কার্যক্রম (Awareness educatio) প্রবর্তন।

              নিরক্ষর  মানুষের  সাক্ষরতার  পাশাপাশি  শোষণ-বঞ্চনা  সম্পকে  সচেতন  করে  তোলার  জন্যে   

           সচেতনতা  ও উন্নয়নমূলক শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন।

১৯৮২    :  প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য সচেতনতা শিক্ষা, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা।

১৯৮৪    :  ধাত্রী উন্নয়ন(TBA)সঞ্চয়, আইনী সহায়তা কর্মসূচি প্রবর্তন।

১৯৮৬    :  উড়িরচরের ঘূর্ণিঝড়ের পর দর্যোগ সহায়তা হিসেবে ত্রাণ ও পুনর্বাসন (Relief and Rehabilation)কর্মসূচি

               বাস্তবায়ন।

১৯৮৮    : দেশব্যাপী প্রলয়ঙ্করী বন্যার পর ক্ষতিগ্রস্ত সদস্যদের পুনর্বাসনের জন্যে সুদমুক্ত পণ্য ঋণ কর্মসচি চাল।

১৯৯১     : প্রধান কর্মসূচি হিসেবে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম (Microcredit) চালুকরণ।

১৯৯২     : MF-NGO হিসেবে রূপান্তর (বিশেষায়িত ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে রূপান্তর)।

১৯৯৩    : কারিগরি  সহায়তা  (Technical Asistance)  প্রদান  কর্মসূচি  প্রবর্তনের  মাধ্যমে  দেশের    

                বাইরে  আশা মডেল(ASA Model) এর Replication শুরু।

১৯৯৪     : বিশ্বের সবচাইতে ব্যয়সাশ্রয়ী এবং দ্রুত বর্ধনশীল ক্ষুদ্রঋণের মডেল হিসেবে ASA এর স্বীকৃতি অর্জন।

১৯৯৫     : বাংলাদেশে পরিচালিত ক্ষুদ্র ও মাঝারী ধরণের সংস্থাকে তহবিল সরবরাহ ও কারিগরি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে

           পার্টনারশীপ প্রোগ্রাম চালুকরণ।

১৯৯৮    : UNDP-এর International Secvice provider হিসেবে নির্বাচিত।

২০০০    :  আশা (ASA) নামকরণ (এসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল এডভান্সমেন্ট এর পরিবর্তে)।

               পুরোপুরি অনুদানমুক্ত আত্মনির্ভরশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ।

২০০৪    :  বর্হিবিশ্বে ASA Model এর ব্যাপক সম্প্রসারণ।

               নিরাপত্তা কর্মসূচি (Mini Life Insurance) প্রবর্তন।

২০০৫    :  স্বাস্থ্য সহায়তা কর্মসূচি (Health Asistance Programe) চালুকরণ।

২০০৬    :  ASA University Bangladesh প্রতিষ্ঠা।

               Catalyst Microfinance Investors(CMI) এর প্রতিষ্ঠা।

২০০৭    :  ASA International (ASAI) প্রতিষ্ঠা।

              সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেবামলক কার্যক্রম প্রবর্তন।

২০০৯   :  বিভিন্ন ধরণের স্বাস্থ্যসেবা যেমন, চক্ষু চিকিৎসা, স্বল্পমূল্যে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদানের

              উদ্দেশ্যে হবিগঞ্জ জেলায় চুনারুঘাট উপজেলায় আশা হেল্থ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা।

২০১০    :  প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম শুরু।

২০১১    :  সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তা ও স্কুল থেকে ঝরে পড়া রোধে প্রাথমিক শিক্ষা শক্তিশালীকরণ কার্যক্রম চাল।

২০১২    :  শ্রমনির্ভর দরিদ্র মানুষদের নানাবিধ শারীরিক বৈকল্যের চিকিৎসার জন্য ফিজিওথেরাপি কার্যক্রম চালু।

২০১৩    :  দক্ষ  মেডিকেল  এ্যাসিসটেন্ট  তৈরীতে  অবদান  রাখার  উদ্দেশ্যে  হবিগঞ্জ  জেলায়  চুনারুঘাট  উপজেলায়

             আশা মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল (আশা-ম্যাটস্) প্রতিষ্ঠা ও একাডেমিক কার্যক্রম শুরু।

২০১৪    : সমন্বিত স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কর্মসূচি চালুকরণ।

             স্যানিটেশন  ব্যবস্থার  উন্নয়নে  স্যানিটারি  উদ্যোক্তা,  ব্যবসায়ী  ও  ব্যবহারকারীদের  প্রশিক্ষণ  ও  সহজ       

             শর্তে  ঋণ দেয়ার উদ্দেশ্যে স্যানিটেশন কার্যক্রম গ্রহণ।

            পাওয়ার টিলার ঋণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু রাসায়নিক  সারের  উপর  নির্ভরশীলতা  কমিয়ে  মাটির  উর্বরতা   

            বৃদ্ধির  লক্ষ্যে  কৃষিতে  জৈবসার/কেঁচেসার  বদ্ধির লক্ষ্যে ভার্মিকম্পোস্ট প্রকল্প চালুকরণ।

২০১৫    : দুগ্ধবর্তী গাভী খামার প্রতিষ্ঠায় ঋণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু।

             মাশরুম চাষ কার্যক্রম চালুকরণ।

              কমলা চাষে উদ্বুদ্ধকরণে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান।

২০১৬    : বাড়ি নির্মাণ ঋণ বিতরণ কার্যক্রম চাল।

                মৎস্য চাষীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে মৎস্য চাষ প্রকল্পে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু।

কর্মসূচিসমূহ

বিশ্বের  বৃহত্তম  টেকসই  স্ব-অর্থায়িত  ক্ষুদ্রঋণ  প্রতিষ্ঠান  আশা  সুবিধাবঞ্চিত  দরিদ্র  মানুষের  জীবনমান  উন্নয়নে  বহুমুখী  কার্যক্রম পরিচালনা কর আসছে। আশার কার্যক্রমকে মোটা দাগে তিন ভাগে চিহ্নিত করা যায়, এক. আর্থিক (ফিন্যান্সিয়াল) সেবা কর্মসূচি, দুই. নন-ফিন্যান্সিয়াল (জনকল্যাণ ও সমাজ-উন্নয়নমূলক) কার্যক্রম এবং তিন. সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অংশগ্রহণ। আশার তিনটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আশাইউবি), আশা মেডিক্যাল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল (আশা-ম্যাট্স্) ও হোপ ফর দ্য পুওরেস্ট (এইচপি) যথাক্রমে উচ্চ শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের কল্যাণে কাজ করছে। এছাড়াও আশা দেশের কৃষির উন্নয়নে নানা ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

আশার ফিন্যান্সিয়াল ও নন-ফিন্যান্সিয়াল কর্মসূচি নি¤œরূপঃ

আর্থিক (ফিন্যান্সিয়াল) কর্মসূচিঃ

১.   সঞ্চয় কর্মসূচিঃ

২.   ঋণ কর্মসূচিঃ

৩.   সদস্যদের ঋণ নিরাপত্তা ও ঝুঁকি তহবিল (এলএসআরএফ) কর্মসূচিঃ

৪.   রেমিটেন্স কর্মসূচি।

নন-ফিন্যান্সিয়াল (জনকল্যাণমূলক) কর্মসূচিঃ

৫.   প্রাথমিক শিক্ষা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচি।

৬.   আশা স্বাস্থ্য কার্যক্রম (প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্বাস্থ্য সচেতনতা, স্বাস্থ্য-শিক্ষা কার্যক্রম ও ফিজিওথেরাপি কর্মসূচি)।

৭.   স্বাস্থ্য অনুদান কার্যক্রমঃ

      সদস্য চিকিৎসা অনুদান।

     কর্মী কল্যাণ তহবিল।

     কর্মী পরিবার কল্যাণ তহবিল।

৮.   ভার্মিকম্পোস্ট কার্যক্রম।

৯.   আশা হেল্থ কমপ্লেক্স, নরপতি, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জঃ