ব্র্যাক

ব্র্যাক আজ উন্নয়নজগতে একটি সাফল্যের নাম। বাংলাদেশের এই সংস্থাটি উন্নয়নক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানসূত্র আবিষ্কার করে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অপর দশটি দেশে কর্মসূচি বাস্থয়িত করছে এবং দরিদ্র মানুষের সম্ভাবনার বিকাশে নেতৃত্ব প্রদান করছে। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের প্রত্যন- গ্রামাঞ্চলে স্বল্পপরিসরে ত্রাণ পুনর্বাসন প্রকল্পের মধ্য দিয়ে কার্যক্রমের সূচনা ঘটালেও, ব্র্যাক বর্তমানে বিশ্বের সর্ববৃহৎ উন্নয়ন সংস্থায় পরিণত হয়েছে। জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভৌত মানবিক সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষদের সংগঠিত করে তাদের জীবনে ব্র্যাক স্থায়িত্বশীল পরিবর্তন নিয়ে আসছে। তাদের জন্য এমন একটি পরিপার্শ্ব গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে দরিদ্র মানুষ তাদের নিজস্ব জীবনের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারে। উন্নয়নের সামগ্রিক কর্মকৌশলে ক্ষুদ্রঋণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আইনি সহায়তা, জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে সকলকে অন-র্ভুক্ত করার ফলেই আমাদের পক্ষে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। ব্র্যাকের কর্মিদল এবং এই সংস্থার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লাখো উদ্যেক্তাকে নিয়ে ব্র্যাকের কর্মধারা বর্তমানে ১৩৮ মিলিয়ন মানুষের জীবনকে স্পর্শ করে যাচ্ছে এবং এশিয়া আফ্রিকার এগারটি দেশে কর্মসূচি পরিচালনার মাধ্যমে আমাদের কাজ বৈশ্বিক আন্দোলনরূপে মানুষের জীবনে প্রত্যাশিত পরিবর্তন নিয়ে আসছে

ব্র্যাক কী

ব্র্যাক একটি উন্নয়ন সংস্থা। তৃণমূল পর্যায়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করে বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে তাদের ক্ষমতায়নের অঙ্গীকার নিয়ে এই সংস্থাটি কাজ করে যাচ্ছে। জনগোষ্ঠীভিত্তিক ব্র্যাকের বিভিন্ন উদ্ভাবনা যথা, ক্ষুদ্রঋণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, আইনসহায়তা, সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ, জীবিকা সংস্থান, অতিদরিদ্রদেরকে সম্পদ হস্তান্তর, উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রভৃতির মাধ্যমে সমাজের অধিকারবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠী তাদের সুপ্ত সম্ভাবনা বিকাশের পথ খুঁজে পেয়েছে।

১৯৭২ সালে ব্র্যাক তার যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এর ১ লক্ষ ২০ হাজার কর্মী বিশ্বব্যাপী ১১টি দেশে ১৩৮ মিলিয়ন মানুষের জীবনসংগ্রামে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। উন্নয়নক্ষেত্রে আমরা এমন একটি নতুন ধারার প্রবর্তন করেছি, যা উন্নয়ন কর্মসূচিকে সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বিত করেছে এবং একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠান ও সেবাগ্রহীতাদের স্বাবলম্বনের পথে এগিয়ে দিয়েছে। সামাজিক সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নিয়ে, পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ভুলভ্রান্তিগুলো দূর করে অল্প খরচে এবং দক্ষতার সঙ্গে ব্র্যাক তার কাজের পরিধির দ্রুত বিস্তার ঘটিয়েছে।

নেতৃত্ব

প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন

স্যার ফজলে হাসান আবেদ কেসিএমজি

 

এক্সিকিউটিভ বডি

মুহাম্মদ মুসা, নির্বাহী পরিচালক, ব্র্যাক
ফারুক আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক, আন্তর্জাতিক কর্মসূচি
আসিফ সালেহ, ঊর্ধ্বতন পরিচালক, স্ট্র্যাটেজি, কমিউনিকেশন অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট, ব্র্যাক ও ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল
তামারা আবেদ, ঊর্ধ্বতন পরিচালক, ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেস

আন্না মিনজ, পরিচালক, সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচি, আইডিপি
আবদুল বায়েস, পরিচালক, গবেষণা ও মূল্য়ায়ন বিভাগ
আহমেদ নাজমুল হুসেইন, পরিচালক, প্রশাসন ও সড়ক নিরাপত্তা
কাওসার আফসানা, পরিচালক, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা কর্মসুচি
কে এম মোরশেদ, পরিচালক, অ্যাডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেঞ্জ, টেকনোলজি অ্যান্ড পার্টনারশিপ স্ট্রেংদেনিং ইউনিট
জুলফিকার আলী, পরিচালক, গবেষণা ও মূল্যায়ন, ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল
নন্দদুলাল সাহা, পরিচালক, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা, ব্র্যাক ও ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল
মুনমুন সালমা চৌধুরি, চিফ পিপল অফিসার, ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল
মোঃ আকরামুল ইসলাম, পরিচালক, ওয়াশ ও ডিইসিসি
মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, পরিচালক, ডেইরি অ্যান্ড ফুড এন্টারপ্রাইজেস
মোহাম্মেদ ফয়সল চৌধুরী, পরিচালক, সোশ্যাল ইনোভেশন ল্যাব
রেচেল কবির, পরিচালক, চেয়ারপার্সনস অফিস
লামিয়া রাশিদ, পরিচালক, আফ্রিকা অঞ্চল, ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল
শফিকুল ইসলাম, পরিচালক, শিক্ষা কর্মসূচী
শামেরান আবেদ, পরিচালক, মাইক্রোফাইন্যান্স ও টার্গেটিং দ্য আলট্রা পুওর, ব্র্যাক ও ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল
সাইফ মোঃ ইমরান সিদ্দিক, পরিচালক, ফাইনান্স, ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল
সাঈদ বখত মজুমদার, পরিচালক, টি এস্টেট

রূপকল্প, লক্ষ্য ও মূল্যবোধসমূহ

রূপকল্প
এমন একটি পৃথিবী যেখানে কোনপ্রকার শোষণ ও বৈষম্য থাকবে না এবং প্রতিটি মানুষের নিজস্ব সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ থাকবে।

লক্ষ্য
আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দারিদ্র্য, অশিক্ষা, ব্যাধি এবং সামাজিক অবিচার দূরীভূত করে দরিদ্র মানুষ এবং জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নের পথকে প্রশংসা করা। বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে বড়মাপের ইতিবাচক পরিবর্তন এনে সমাজের সকল নারী ও পুরুষের সম্ভাবনার বিকাশ আমাদের লক্ষ্য।

মূল্যবোধসমূহ

  • সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী মনোভাব
  • সততা ও নিষ্ঠা
  • সার্বজনীনতা
  • কার্যকারিতা

সময়ের অগ্রযাত্রায় ব্র্যাক

১৯৭২

  • মুক্তিযুদ্ধ। শেষে সিলেটের শাল্লায় বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিটি (ব্র্যাক)    ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মসূচি শুরু করে।


১৯৭৩

  • ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকাণ্ড দীর্ঘস্থায়ী জনগোষ্ঠীভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্পে রূপ নেয়।
  • ব্র্যাক-এর নতুন নাম হয় বাংলাদেশ রুরাল এ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি।
  • বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু।


১৯৭৪

  • কুড়িগ্রামের রৌমারি অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ ও বন্যাকবলিতদের মধ্যে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা।
  • ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম শুরু ।


১৯৭৫

  • ব্র্যাকের মূল কার্যক্রমের সহায়তায় গবেষণা ও মূল্যায়ন বিভাগের প্রতিষ্ঠা।
  • জামালপুর মহিলা প্রকল্পের শুরু।
  • ব্যবহারিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু।


১৯৭৬

  • মানিকগঞ্জ সমন্বিত প্রকল্পের কাজ শুরু।
  • কৃষি ও মৎস্য কর্মসূচি চালু।


১৯৭৭

  • গ্রামসংগঠন তৈরির মাধ্যমে লক্ষিত জনগোষ্ঠীভিত্তিক উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু।
  • সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচি শুরু।


১৯৭৮

  • কর্মী দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে সাভারে প্রথম লার্নিং সেন্টার (তদানীন-ন টার্ক) সংস্থাপিত।
  • মানিকগঞ্জে দুঃস্থ নারীদের কর্মসংস'ানের লক্ষ্যে রেশমচাষ প্রকল্প চালু এবং কারুশিল্পের প্রথম বিপণনকেন্দ্র আড়ংয়ের যাত্রা শুরু।


১৯৮০

  • ডায়রিয়া প্রতিরোধে ওরাল থেরাপি এক্সটেনশন প্রোগ্রাম (ওটেপ) চালু। এর আওতায় বাংলাদেশের ঘরে ঘরে মায়েদের স্যালাইন বানানো শিক্ষাদান।
  • র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ।

১৯৮৩

  • হাঁসমুরগি টিকাদান কর্মসূচি চালু।


১৯৮৫

  • ব্র্যাকের উপ-আনুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচি চালু।
  • গবাদি পশুপালন কর্মসূচির শুরু।
  • গ্রামীণ শিল্পোদ্যোগ প্রকল্প চালু।
  • ইনকাম জেনারেশন ফর ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (আইজিভিজিডি) প্রোগ্রাম চালু।

 

১৯৮৬

  • রুরাল ক্রেডিট অ্যান্ড ট্রেনিং প্রোগ্রাম এবং আউটরিচ প্রোগ্রামের সমন্বয়ে রুরাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (আরডিপি) গঠিত।
  • চাইল্ড সারভাইভাল প্রোগ্রাম (সিএসপি) চালু।
  • হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড প্রোগ্রাম চালু।


১৯৮৮

  • মনিটরিং বিভাগ সংস্থাপন।


১৯৯০

  • রুরাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (আরডিপি)-এর দ্বিতীয় পর্বের কাজ শুরু।
  • ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু।
  • সাসটেইনেবল রুরাল ক্রেডিট প্রোগ্রাম চালু।


১৯৯১

  • উইমেন্স হেলথ ডেভেলপমেন্ট (ডব্লিউএইচডিপি) প্রোগ্রাম চালু।
  • উইমেন্স অ্যাডভাইজরি কমিটি গঠিত।


১৯৯২

  • সেন্টার ফর ডেভেলমেন্ট ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম) স'াপিত।


১৯৯৩

  • রুরাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (আরডিপি)-এর তৃতীয় পর্বের কাজ শুরু।
  • কিশোরী পাঠকেন্দ্র চালু।


১৯৯৪

  • ব্র্যাক উপ-আনুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার আদলে আফ্রিকা মহাদেশে কর্মসূচি শুরু।


১৯৯৫

  • বয়স্ক সাক্ষরতা কেন্দ্র সংস্থাপন।
  • জেন্ডার কোয়ালিটি অ্যাকশন লার্নিং (জিকিউএএল) এবং জেন্ডার রিসোর্স সেন্টার (জিআরসি) চালু।
  • চলমান শিক্ষা কর্মসূচি আরম্ভ।
  • হেলথ সেন্টার ‘সুস্বাস্থ্য’ স্থাপন।


১৯৯৬

  • রুরাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (আরডিপি)-এর চতুর্থ পর্বের কাজ শুরু।
  • মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ লেন্ডিং অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম (মেলা) আরম্ভ।


১৯৯৭

  • নগর উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু।

১৯৯৮

  • আইন সহায়তা ক্লিনিক স'াপিত।
  • ডইরি ও ফুড প্রোজেক্ট সংস্থাপিত এবং আড়ং দুধের যাত্রা শুরু।
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু।


২০০০

  • কৃত্রিম পা সংযোজন কেন্দ্র সংস্থাপিত।


২০০১

  • ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সংস্থাপিত।
  • ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর যাত্রা শুরু।
  • ব্র্যাক পোস্ট প্রাইমারি বেসিক এডুকেশন প্রোগ্রাম চালু।
  • কিশোরকিশোরী উন্নয়ন কর্মসূচি চালু।


২০০২

  • অতিদরিদ্র কর্মসূচি (সিএফপিআর-টিইউপি)-র যাত্রা শুরু।
  • ব্র্যাক-আফগানিস্থান কর্মসূচির শুরু।
  • অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ইউনিট চালু।


২০০৩

  • ব্র্যাক টি এস্টেট শুরু।
  • ব্র্যাক পোস্ট প্রাইমারি বেসিক এডুকেশন প্রোগ্রাম এবং কনটিনিউইং এডুকেশন প্রোগ্রাম-এর সমন্বয়ে পোস্ট প্রাইমারি বেসিক অ্যান্ড কনটিনিউইং এডুকেশন (পেইস) কর্মসূচির শুরু।
  • এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড লাইভলিহুড ফর অ্যাডলোসেন্ট (ইলা) কর্মসূচির শুরু।
  • দেশব্যাপী যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির বিস্তার।

২০০৪

  • ন্যায়পালের অফিস সংস্থাপিত।
  • ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি কর্তৃক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ এবং ইন্সটিটিউট অফ এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট সংস্থাপিত।
  • গেটস অ্যাওয়ার্ড ফর গ্লোবাল হেলথ লাভ।


২০০৫

  • ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি কর্তৃক সেন্টার ফর গভার্নেন্স স্টাডিজ সংস্থাপিত।
  • সুনামি-পরবর্তী শ্রীলঙ্কায় কার্যক্রম শুরু।
  • নীলফামারিতে ম্যাটারনাল, নিওনেটাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ (এমএনসিএইচ) প্রোগ্রাম চালু।


২০০৬

  • তানজানিয়া ও উগান্ডায় উন্নয়ন কার্যক্রম চালু।
  • তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ব্র্যাক ইউকে ও ব্র্যাক ইউএসএ স'াপন।
  • ওয়াটার, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) প্রোগ্রাম চালু

২০০৭

  • পাকিস-ানে এনজিও হিসেবে নিবন্ধীকরণ ও কার্যক্রম শুরু।
  • স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ।

২০০৮

  • সিয়েরা লিওন ও লাইবেরিয়ায় ব্র্যাকের নিবন্ধীকরণ ও কর্মসূচির শুরু।
  • তানজানিয়া, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানে স্থানীয় মুদ্রায় ক্ষুদ্রঋণ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্র্যাক আফ্রিকা লোন ফান্ড তৈরি।
  • হিলটন হিউম্যানিটেরিয়ান পুরস্কার লাভ।

২০০৯

  • নেদারল্যান্ডের হেগ-এ স্টিকটিং ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল নামে ফাউন্ডেশন গঠিত।
  • প্রথমবারের মতো বর্গাচাষীদের জন্য ঋণদান প্রকল্প।
  • পুষ্টিহীনতা রোধে অ্যালাইভ অ্যান্ড থ্রাইভ প্রোগ্রাম চালু।

২০১০

  • লন্ডনের বাকিংহাম প্রাসাদে ব্র্যাকের চেয়ারপার্সনকে নাইট উপাধি প্রদান।
  • রেডিও পল্লীকণ্ঠ নামে কমিউনিটি রেডিও স'াপন।

 ২০১১

  • শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য স্যার ফজলে হাসান আবেদের ওয়াইজ পুরস্কার গ্রহণ।
  • প্রত্যন্ত জলমগ্ন এলাকার  শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষাতরী (নৌকা স্কুল) কার্যক্রম শুরু।
  • বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে দুর্যোগ-সহনীয় বাসস্থানের মডেল প্রণয়ন।
  • মানবাধিকার সেবা উন্নততর করতে প্রযুক্তিগত সুবিধা আই-ক্রেস চালু